Saturday, March 10, 2018

যে ৫টি খাবার প্রাকৃতিক উপায়ে গর্ভপাত হতে সাহায্য করে

গর্ভপাত ঘটানোর ঘরোয়া উপায়

গর্ভপাত ঘটানোর ঘরোয়া উপায়

প্রাকৃতিক উপায়ে গর্ভপাতঃ গর্ভধারণ একটি সুন্দর অভিজ্ঞতা সব মেয়ের কাছেই। কিন্তু তা তখনই সুন্দর যদি সেটি পরিকল্পিতভাবে হয়। বেশ কিছু খাবার রয়েছে যা নিয়মিত খেলে গর্ভধারণের সম্ভাবনা অনেকখানি কমিয়ে দেওয়া যায়।

‘প্রেগনেন্সি বাই চয়েস, নট বাই চান্স’। ভারতে গর্ভপাত আইনসম্মত কিন্তু কিছু শর্তাবলী প্রযোজ্য। প্রথমত, আসন্ন সন্তান হতে চলেছে মেয়ে তা জানতে পেরে গর্ভপাত এবং গর্ভপাতের চেষ্টা দু’টিই ক্রিমিনাল অফেন্স। দ্বিতীয়ত, গর্ভপাত করাতে হয় ২০ সপ্তাহের মধ্যে। ২০ সপ্তাহ পেরিয়ে যাওয়ার পরে গর্ভপাত বেআইনি।

গর্ভপাত সব সময়েই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে তবেই করা উচিত। কিন্তু কয়েকটি খাবার এমন রয়েছে যা খেলে প্রথম ট্রাইমেস্টারে বা ৪ থেকে ১২ সপ্তাহের মধ্যে গর্ভপাত হয়ে যেতে পারে। গর্ভাবস্থায় এই খাবারগুলি তাই কখনওই খাওয়া উচিত নয়—

কাঁচা পেঁপে

প্রচুর পরিমাণে কাঁচা পেঁপে খেলে গর্ভপাত হতে পারে। কাঁচা পেঁপের মধ্যে রয়েছে প্যাপেইন যা সার্ভিক্সকে আলগা করে ও পিরিয়ডস হতে সাহায্য করে।

আনারস

পেঁপের মতোই আনারসে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন সি এবং এক বিশেষ ধরনের এনজাইম যা গর্ভপাত ঘটাতে পারে। তাই গর্ভাবস্থায় আনারস একেবারেই খাওয়া উচিত নয়।

তিল

ভাজা সাদা তিলের নাড়ু অনেকেরই পছন্দ কিন্তু এই খাবারটি গর্ভাবস্থার একদম প্রথমদিকে খেলে গর্ভপাত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

টকজাতীয় ফল

অ্যাসকরবিক অ্যাসিড গর্ভপাত ঘটায়। তাই যে কোনও টকজাতীয় ফল প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণে খেলে দু’তিন সপ্তাহের মধ্যে গর্ভপাত হয়ে যেতে পারে।

পার্সলে পাতা

এই উপকরণটি ইউটেরাসের সঙ্কোচন ঘটায় এবং পাশাপাশি সার্ভিক্সকে আলগা করে। এই দু’টি প্রক্রিয়াই গর্ভপাতে হতে সাহায্য করে। পার্সলের সঙ্গে ভিটামিন সি খেলে গর্ভপাতের সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়।
Continue reading

Monday, March 5, 2018

মুখের কালো দাগ দূর করার ঘরোয়া উপায় - জানতে হবে

মুখের কালো দাগ দূর করার ঘরোয়া উপায়

মুখের কালো দাগ দূর করার উপায়

লেবুর রস : কালো দাগ তুলতে কার্যকরী হয় লেবু। ভিটামিন C সমৃদ্ধ লেবুর রস ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায় ও কালো দাগ দূর করে। দাগের উপর কিছুক্ষণ লেবুর রস ঘষতে থাকুন, শুকিয়ে এলে জল দিয়ে ধুয়ে নিন। রেগুলার লেবুর রসের ব্যবহার আপনার মুখের কালো দাগ দূর হতে পারে।

বাটারমিল্ক : ল্যাকটিক অ্যাসিড সমৃদ্ধ বাটারমিল্ক ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়। কালো দাগছোপকে দূর করে ত্বকের কোমলতা ও জেল্লা ফিরিয়ে আনে।

ওটমিল : ডেড স্কিন দূর করে ত্বকের সুস্বাস্থ্য গড়ে তুলতে এটি কার্যকরী। এক চামচ ওটমিল পাউডার জলের সঙ্গে মিশিয়ে সপ্তাহে ৩ দিন ব্যবহার করুন।


চন্দনকাঠ : মুখের দাগ তুলতে অসাধারণ কাজ দেয় চন্দন। চন্দন কাঠের গুঁড়ো জলে বা গোলাপ জলে মিশিয়ে ব্যবহার করুন। পারলে সপ্তাহে প্রত্যেকদিন এটি ব্যবহার করলে আশানুরূপ ফল দেখতে পাবেন। 

আমন্ড : কয়েকটি আমন্ড সারারাত জলে ভিজিয়ে রাখুন। সকালে তা বেঁটে একটা পেস্ট তৈরি করে নিন। তাতে একচামচ চন্দনকাঠের গুঁড়ো, মধু বা দুধ মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি কালো দাগের উপর লাগিয়ে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করে জল দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন।

আলু : কালো দাগ মেটাতে কার্যকরী ফল দেয় আলুর রস। আলুর রসের সঙ্গে সামান্য মধু মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে নিন। শুকিয়ে গেলে জল দিয়ে ধুয়ে নিন।

টোম্যাটো : ফ্রেশ টোম্যাটো স্লাইস করে কেটে মুখের দাগছোপের উপর রাখুন। সপ্তাহে দুদিন এর ব্যবহার করুন।


হলুদ : ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে হলুদ ফলদায়ক। এক চামচ হলুদ গুঁড়ো, সামান্য লেবুর রস ও দুধ মিশিয়ে একটি ফেসপ্যাক তৈরি করে নিন। কয়েক মিনিট অপেক্ষা করে জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত দু-বার এই ফেসপ্যাক ব্যবহার করুন।

পিঁয়াজ : পিঁয়াজের রসের সঙ্গে সামান্য মধু মিশিয়ে মুখের দাগের উপর লাগিয়ে রাখুন ২০ মিনিট। জল দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন।

পেঁপে : পাকা পেঁপের লেই মুখে লাগিয়ে রাখুন ২০ মিনিট। সামান্য লেবুর রস মিশিয়েও তা ব্যবহার করতে পারেন।

আনারস : আনারসের রস মুখের সমস্ত অংশে লাগিয়ে রাখুন ২০ মিনিট। তারপর মুখ জল দিয়ে ধুয়ে নিন। কয়েকদিনের ব্যবহারে কার্যকরী ফল দেখতে পাবেন।


তরমুজ : তরমুজের টুকরো নিয়ে মুখের দাগের উপর ঘষতে থাকুন বেশ কিছুক্ষণ। সপ্তাহে দু-বার এর ব্যবহারে আশানরূপ ফল দেখতে পাবেন।

শসা : শসা মুখের উজ্জ্বলতা ও আর্দ্রতা বজায় রাখতে কার্যকরী। কয়েকটি শসার টুকরো নিয়ে একটা পেস্ট তৈরি করে নিন, তাতে সামান্য মধু ভালো করে মিশিয়ে মুখে লাগান।

দুধ ও মধু : দুধ ও মধু একসঙ্গে মিশিয়ে কালো দাগের উপর ১০ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। তারপর মুখ জল দিয়ে ধুয়ে নিন। টানা কয়েকদিনের ব্যবহারে আপনার মুখের দাগ উধাও হয়ে যাবে।

অ্যালোভেরা : অ্যালোভেরা জেল বা রস, মুখের দাগের উপর আলতো হাতে মালিশ করে নিন। রেগুলার এর ব্যবহারে আপনার মুখের দাগ মুছে গিয়ে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করবে।

Continue reading

Wednesday, February 21, 2018

গর্ভপাত ঘটানোর ঘরোয়া উপায় । গর্ভপাত ঘাটনোর সহজ উপায়

গর্ভপাত ঘাটনোর সহজ উপায় - গর্ভপাত ঘটানোর ঘরোয়া উপায়

গর্ভপাত ঘাটনোর সহজ উপায়

গর্ভপাত ঘটানোর ঘরোয়া উপায়ঃ গর্ভপাত হলো কোনো ফিটাস বা ভ্রূণ নিজে নিজে বেঁচে থাকতে সক্ষম হওয়ার আগেই এটিকে অপসারণ করে অথবা মাতৃগর্ভ থেকে জোরপূর্বক বের করে দিয়ে গর্ভধারণের অবসান ঘটানো৷ গর্ভপাত ইচ্ছাকৃতভাবে ঘটানো হতে পারে, যেক্ষেত্রে এটিকে প্রায়াই মিসক্যারিজ বলা হয়। এটি উদ্দেশ্যমূলকভাবেও ঘটানো হতে পারে যেক্ষেত্রে এটিকে বলা হয় প্ররোচিত গর্ভপাত। গর্ভপাত পরিভাষাটি বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কোনো মানবীয় গর্ভধারণের প্ররোচিত গর্ভপাতকে বুঝায়। ভ্রূণ নিজে নিজে বেঁচে থাকতে সক্ষম হওয়ার পর এই একই প্রক্রিয়া ঘটানো হলে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় সেটিকে বলা হয় "গর্ভাবস্থার বিলম্বিত অবসান"৷


প্ররোচিত গর্ভপাতের জন্য আধুনিক চিকিৎসাবিদ্যায় ঔষধ অথবা অস্ত্রোপচার পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়। মিফেপ্রিস্টন ও প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন নামের ঔষধ দু’টি প্রথম তিন মাসে অস্ত্রোপচার পদ্ধতির মতই কার্যকর।দ্বিতীয় তিন মাসে ঔষধের ব্যবহার কার্যকর হলেও অস্ত্রোপচার পদ্ধতির ক্ষেত্রে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কম ঝুঁকি রয়েছে বলে মনে হয়। জন্মনিয়ন্ত্রণ-এর মধ্যে রয়েছে পিল ও যোনিপথে ব্যবহার্য ডিভাইসসমূহ যা গর্ভপাতের ঠিক পরপরেই ব্যবহার শুরু করা যায়। গর্ভপাত উন্নত বিশ্বে স্থানীয় আইন দ্বারা সমর্থিত হয়ে থাকলে, এর চিকিৎসাবিজ্ঞানে সবচেয়ে নিরাপদ ব্যবস্থাগুলোর অন্যতম হয়ে ওঠার ইতিহাস রয়েছে৷জটিলতাহীন গর্ভপাত কোনো দীর্ঘস্থায়ী মানসিক বা শারীরিক স্বাস্থ্যগত সমস্যা ঘটায় না।বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সুপারিশ করেছে যে, এই একই স্তরের নিরাপদ ও বৈধ গর্ভপাতের বিষয়টি বিশ্বজুড়ে সকল নারীর জন্য লভ্য থাকা উচিত। তবে,অনিরাপদ গর্ভপাতসমূহ বিশ্বজুড়ে প্রতিবছর প্রায় 47,000 মাতৃত্বজনিত মৃত্যু  ও 5 মিলিয়ন নারীর হাসপাতালে ভর্তির হওয়ার কারণ ঘটায়।

প্রতিদিন স্বাস্থ্য পরামর্শ পেতে ভিজিট করুনঃ helath tips bd

বিশ্বজুড়ে প্রতিবছর 44 মিলিয়ন গর্ভপাত সম্পন্ন হয়, যার মধ্যে অর্ধেকের সামান্য কমসংখ্যক অনিরাপদভাবে সম্পন্ন করা হয়। গর্ভপাতের হার 2003 ও 2008 সালের মধ্যে সামান্য পরিবর্তিত হয়েছে,যদিও পূর্ববর্তী দশকগুলোতে পরিবার পরিকল্পনা ও জন্মনিয়ন্ত্রণ বিষয়ক শিক্ষার প্রসারের কারণে গর্ভপাতের হার কমে এসেছিল৷ ২০০৮ মোতাবেক, বিশ্বের শতকরা চল্লিশ ভাগ নারীর "কোনো কারণ দেখানো ছাড়াই" বৈধ প্ররোচিত গর্ভপাত ঘটানোর অধিকার ছিল। তবে, এক্ষেত্রে গর্ভধারণের পর ঠিক কতটা সময় পর্যন্ত তা করা যাবে সে ব্যাপারে সীমা নির্ধারিত ছিল।


প্ররোচিত গর্ভপাতের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। বিভিন্ন পদ্ধতিতে তা করা হয়েছে, যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, প্রাচীনকাল থেকে চলে আসা ভেষজ ঔষধসমূহ, ধারালো সরঞ্জাম ব্যবহার, শারীরিক আঘাত ও অন্যান্য গতানুগতিক পদ্ধতি। বিশ্বজুড়ে গর্ভপাত বিষয়ক আইনকানুন, সেগুলো কত ঘনঘন সম্পন্ন করা হবে, এবং সেগুলোর সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় স্ট্যাটাসের ক্ষেত্রে ব্যাপক ভিন্নতা রয়েছে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে, বিশেষ পরিস্থিতির নিরিখে গর্ভপাত বৈধ, যেমন: আত্মীয় কর্তৃক যৌননিগ্রহ, ধর্ষণ, ভ্রূণে সমস্যা থাকা, আর্থ-সামাজিক নিয়ামকসমূহ অথবা মায়ের স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি থাকলে। বিশ্বের অনেক স্থানে গর্ভপাতের নৈতিক, নীতিগত, ও আইনগত বিষয়সমূহ নিয়ে গণ মতদ্বৈততা রয়েছে৷ যারা গর্ভপাতের বিরুদ্ধে তারা সাধারণত বলে থাকেন যে, একটি ভ্রূণ বা ফিটাস হলো জীবনে বেঁচে থাকার অধিকারসম্পন্ন একজন মানুষ এবং গর্ভপাতকে হত্যাকাণ্ডের সাথে তুলনা করা যায়৷যারা গর্ভপাতের অধিকার সমর্থন করেন তারা একজন নারীর নিজের শরীরের ব্যাপারে তার সিদ্ধান্ত গ্রহণের অধিকারের উপর জোর দিয়ে থাকেন এবং একইসাথে সাধারণভাবে মানবাধিকারের উপর জোর দিয়ে থাকেন।
Continue reading